Downloads
Users
Review
সোনারগাঁও অনলাইন সেবা অ্যাপে আপনারা একসাথে অনেক সুবিধা পাবেন। যেমন রক্তদাতার ফোন নাম্বার, ফায়ার সার্ভিসের ফোন নাম্বার, বিভিন্ন হাসপাতাল এর ফোন নাম্বার, পল্লী বিদ্যুৎ এর সকল ফোন নাম্বার, সকল পুলিশ কর্মকর্তার ফোন নাম্বার, এম্বুলেন্সের নাম্বার,আইনজীবী,সাংবাদিক,দলিল লেখক,কাজীর ফোন নাম্বার। এমন আরো অনেক সুবিধা পাবেন।
আমাদের সাপোর্ট সেন্টার প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা থাকে অ্যাপ সম্পর্কিত যে কোন সমস্যায় যোগাযোগ করুন।
আপনার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান এর বিঙ্গাপন দিতে পারবেন আমাদের অ্যাপে
১। সোনারগাঁও নামকরণের ইতিহাস
সোনারগাঁয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সোনালি অতীতের এক সুবর্ণ অধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য স্মৃতি। সোনারগাঁয়ের নামকরণে মতভেদ রয়েছ। গবেষকদের মতে, সোনারগাঁয়ের প্রাচীন নাম ছিল সুবর্ণবীথি বা সুবর্ণগ্রাম। এই সুবর্ণগ্রাম থেকেই মুসলিম আমলের সোনারগাঁও নামের উদ্ভব।প্রবাদ আছে, মহারাজ জয়ধ্বজের সময় এ অঞ্চলে সুবর্ণবৃষ্টি হয়ছিল বলে এ স্থান সুবর্ণগ্রাম নামে পরিচিতি লাভ করে। কেউ কেউ বলেন, বার ভূঁইয়া প্রধান ঈসা খাঁর স্ত্রী সোনাবিবির নামানুসারে এর নাম হয়েছে সোনারগাঁও।
২। সোনারগাঁও সম্পর্কে ৫টি বাক্য
১.প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তি ও ঐতিহ্যের জন্য সোনারগাঁও বিখ্যাত। ২.ঈশা খাঁর (বাংলার বারো ভুঁইয়াদের নেতা) রাজধানী ছিল সোনারগাঁও। ৩.সোনারগাঁও এ রয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর। যা নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও এ অবস্থিত। ৪.ঐতিহাসিক পানাম নগর সোনারগাঁও এ অবস্থিত। ৫.লোকশিল্প জাদুঘরের জন্যও সোনারগাঁও বিখ্যাত।
৩। কোন যুগে সোনারগাঁও বাংলার রাজধানী ছিল?
শূর, পাল, সেন ও দেব রাজাদের আমলে শুরু হলেও সোনারগাঁয়ের সমৃদ্ধ ও গৌরবময় যুগের সূচনা হয় ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের শাসনামলে। 1338 খ্রিস্টাব্দে তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করলে সোনারগাঁও স্বাধীন বাংলার রাজধানী হয়।
৪। সোনারগাঁও দেখার মতো কি কি আছে?
এখানে রয়েছে সরদার বাড়ি, জয়নুল আবেদিনের ঐতিহাসিক সংগ্রাম ভাস্কর্য, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের আবক্ষ ভাস্কর্য, জয়নুল আবেদিনের ভাস্কর্য, জয়নুল আবেদিন স্মৃতি জাদুঘর, লোকজ মঞ্চ, কারুশিল্প গ্রাম।
৫। সোনারগাঁও জাদুঘর সময় সূচি
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে। এছাড়া সপ্তাহের বাকি দিন সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকে। তবে বিশেষ সরকারি ছুটির দিন গুলো যেমন ঈদ, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, একুশে ফেব্রুয়ারী, পহেলা বৈশাখ, জাতীয় শোক দিবসে খোলা থাকে।
৬। রক্তদানের উপকারিতা কি?
বছরে ৩ বার রক্তদান আপনার শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে তোলার সাথে সাথে নতুন কণিকা তৈরির হার বাড়িয়ে দেয়। উল্লেখ্য রক্তদান করার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দেহে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়। নিয়মিত রক্তদান করলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।